1. Hi Guest
    Pls Attention! Kazirhut Accepts Only Bengali (বাংলা) & English Language On this board. If u write something with other language, you will be direct banned!

    আপনার জন্য kazirhut.com এর পক্ষ থেকে বিশেষ উপহার :

    যে কোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সন প্রয়োজন হলে Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Online Library E-Books | বাংলা ইবুক (Bengali Ebook)

Collected বহুল প্রচলিত প্রবাদ- প্রবচন

Discussion in 'Collected' started by abdullah, Nov 29, 2016. Replies: 16 | Views: 1818

  1. abdullah
    Offline

    abdullah Welknown Member Member

    Joined:
    Jul 30, 2012
    Messages:
    6,045
    Likes Received:
    1,583
    Reputation:
    967
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    সিলেটি প্রবাদ প্রবচনঃ

    ১৪১/ এক গাতো দি দিলাম ধুমা, আর গাতোদি যায়
    যার লাগি দিলাম ধুমা তারে খায় মশায়।
    (গাত মানে গর্ত,ধুমা মানে ধোঁয়া।)
    আক্ষরিক ব্যাখ্যাঃ- এক গর্তে দিলাম ধোঁয়া অন্য গর্তে যায়/

    ১৪২/ যার জন্য ধোঁয়া দেয়া, তারে মশায় খায়(কামড়ায়)।
    ব্যাখ্যাঃ-একজনের জন্য কষ্ট করলাম কিন্তু তার কোন লাভ হল না।উল্টা অন্য আরেকজনের লাভ হয়ে গেল।দুনিয়া বড়ই বিচিত্র!

    ১৪৩/ যোগী চিনি ধিয়ানো, ছাগি চিনি বিয়ানো, ঘোড়া চিনি কানো,
    নাপতর পুত যে বাদশা অইছইন তানে চিনি দানো ।
    ব্যাখ্যাঃ- যোগী চেনা যায় ধ্যানে, ছাগল চেনা যায় বিয়ানো তে(বিয়ানো মনে হয় দুধ বিয়ানো),ঘোড়া চিনা যায় কান দেখে।আর নাপিতের পুত্র সন্তান বাদশাহ হলে তাকে চেনা যায় তার দান করা দেখে।

    ১৪৪/ উঠতে বেকা চান, জনম বেকা গ্যাং,
    তেতই বেকা ফুলো, মানু বেকা মুলো।
    বা,
    যার হাতো অয় না, তার হাতাইশ ও অয় না—যার সাত বছরে জ্ঞান বুদ্ধি হয় না,তার সাতাশি বছরেও হবে না।
    ব্যাখ্যাঃ- চন্দ্র উঠিবার সময় বাকাঁ থাকে, গাং থাকে সারাজীবন ই বাকাঁ।(গ্যাং মনে হয় খাল)।তেতই মানে তেতুল।তেতুল ফুল বাকাঁ থাকে। আর মানুষ বাকাঁ হয় ছোটবেলায়।এরকম আরেকটি প্রবাদ আছে,

    ১৪৫/ এড়া মাউগ আগে হাজে, ফাটা ঢোল আগে বাজে।
    ব্যাখ্যাঃ-যে কম জানে সে সব ক্কিছু আগে আগে করতে যায়।অনেক টা খালি কলসী বাজে বেশী ভরা কলসী বাজে না টাইপের প্রবাদ।

    ১৪৬/ জামাই মরলা হাঞ্জা রাইত/ কান্দিয়া উঠইন পথা রাইত
    ব্যাখ্যাঃ- এর মানে হল, স্বামীর মৃত্যু হইছে সন্ধ্যায়।কিন্তু বউ মাঝ রাতে দুঃখে কেদে উঠলো।ফথা রাইত হচ্ছে রোজায় সেহরী খাওয়ার যে সময় সেটা।

    ১৪৭/ সারাদিন দিন অনে আর হনে/ হাই আইলে বারা বানে
    ব্যাখ্যাঃ- সারাদিন ঘোরাঘোরি করে কিন্তু স্বামী ঘরে আসলেই কাজে লেগে যায়!

    ১৪৮/ আটাত্ চিনা যায় বাড়ী কোন গাঁও।
    ব্যাখ্যাঃ- হাটা দেখেই বুঝা যায় কে কোন গ্রামের লোক।

    ১৪৯/ এন্ডা পাড়ে না মুরগী কর্করানিত ডাটঁ।
    ব্যাখ্যাঃ- মুরগী ডিম পাড়ে না,কিন্তু চিল্লানি শুনলে মনে হয় ঘর ভরে ফেলছে।বেয়াদব মুরগী।

    ১৫০/ ধীরে আটে বয়না, তার লাগ কেউ পায় না
    ব্যাখ্যাঃ- অধ্যাবসায় ও স্থিতধী ব্যাক্তির জয় নিশ্চিত।খরগোশ কচ্ছপের গল্পের থিমটাই এই প্রবাধের অর্থ। ধীরে আটে মানে আস্তে হাটে, বয়না মানে বসে না,তার লাগ কেউ পায় না মানে তাকে কেউ ধরতে পারে না।
     
  2. abdullah
    Offline

    abdullah Welknown Member Member

    Joined:
    Jul 30, 2012
    Messages:
    6,045
    Likes Received:
    1,583
    Reputation:
    967
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    ১৫১। আইল দারুন বারিষা কাল, ছাইগ্যে চাটে বাঘর গাল ।
    ব্যাখ্যাঃ- সময় খারাপ।কেয়ামতের আলামত।প্রবল শত্রু রাও মিত্র এখন!

    ১৫২। ঝি দিলাম হাই ঠাইন, পুত দিলাম বউ ঠাইন-আরদাশ করমু কার ঠাইন ।
    ব্যাখ্যাঃ- ঝি দিলাম হাই ঠাইন মানে মেয়ে দিলাম মেয়ের জামাইর কাছে,পুত দিলাম বউ ঠাইন মানে ছেলেকে দিলাম বউয়ের কাছে।এখন কাকে আদেশ করব!

    ১৫৩। মায় কাড়ে গু মূত, হইড়্যে খায় ঘি, অমন দুখখর কথা কারে কৈমুগি ।
    ব্যাখ্যাঃ- মা কে রেখে যেসব ছেলে শাশুড়ি কে বেশী পছন্দ করে তাদের জন্য এই প্রবাদ।

    ১৫৪। "তন দেখাইলে মন নাশ, তল দেখাইলে যোগীরও অয় সর্বনাশ"
    এটা বুঝতে হলে একটা গল্পের আশ্রয় নিতে হবে। ঈশ্বরচন্দ্রের বেতাল পঞ্চবিংশতিতে গল্পটির সন্ধান পাওয়া যায়।
    কোন এক বনে থাকতেন এক ঋষি। তিনি তেতুল গাছে উল্টা হয়ে ঝুলে ধ্যান করতেন। অনেক বছর ধ্যান করে ঋষি প্রায় বৃদ্ধ হয়ে পড়েছেন। এক রাজার ইচ্ছা হল ঋষির ধ্যান ভাঙ্গাবেন। রাজা অনেক চেস্টা করেও ঋষির ভাঙ্গাতে পারলেন না। রাগে খোবে অন্ধ রাজা- রাজ্যে ঘোষনা দিলেন, যে ওই ঋষির ধ্যান ভাঙ্গাতে পারবে তিনি তাকে অর্ধেক রাজ্য লিখে দিবেন। পুরো রাজ্য জুড়ে রাজার ঘোষনার চর্চা হতে লাগল। কেউ সাহস করে এগিয়ে এল না। একদিন এক ষোড়শী যুবতী কণ্যা ঘোষণা দিল- আমি ঋষির ধ্যান ভাঙ্গাবো। কণ্যাটি এখানে থেমে থাকল না, সে আরো আরো বলল- ঋষির ঔরষজাত সন্তানকে তার কাঁধে চড়িয়ে রাজ্যে ফিরে আসব।
    মেয়েটা তার কথা রেখেছিল। সে কয়েকবছর পর ঋষিকে রাজ্যে নিয়ে আসল। সবাই দেখল ঋষির কাঁধে খিলখিল করে হাসছে ঋষির ঔরষজাত পুত্র সন্তান!!
    ব্যাখ্যাঃ- যোগী -ঋষির ধ্যানও মেয়েরা ভাঙতে পারে।

    ১৫৫। ''আইছেরে ভাই কলি কাল,
    ছাগিয়ে চাটে বাঘর গাল।।''
    ব্যাখ্যাঃ- অসামঞ্জস্য ।

    ১৫৬। ক)“বাপে বেটা -গাছে গোটা, মায় ঝি-গাইয়ে ঘি।।”
    অথবা “আগর হাল যেবায় যায়, পরর হালও অবায় যায়।।”
    ব্যাখ্যাঃ- ছেলে-মেয়েরা সাধারনত পিতা-মাতা কে অনুসরণ করে।

    ১৫৭। “আদেখায় দেখলা, পুটিমাছে লেখলা।।”
    ব্যাখ্যাঃ- সাধারন কাজ করে অনেক বেশি গর্ববোধ করা।

    ১৫৮। “হারা রাইত কানভরি হুনলো বেটায় পুঁথি,
    বিয়ানে উঠি জিগায়, সোনাভান বেটা না বেটি”
    অথবা “সাত খণ্ড রামায়ণ পড়ি কয়, সীতা কার বাপ।”
    ব্যাখ্যাঃ- আদ্যোপান্ত সবকিছু জানার পরও না জানার ভান করা।

    ১৫৯।
    *যম, জামাই, ভাইগ্না, তিন নয় আপনা।
    * ভাইগ্না কুটুম নিমকহারাম।
    * মামার বাড়িত ভাইগ্না বইতল।
    ব্যাখ্যাঃ- বিশ্বাসের অভাব।

    ১৬০। “পাইয়া পরের ধন,
    বাপে পুতে করে কীর্তন।।”
    ব্যাখ্যাঃ- পরের ধনে পোদ্দারি।
     
  3. abdullah
    Offline

    abdullah Welknown Member Member

    Joined:
    Jul 30, 2012
    Messages:
    6,045
    Likes Received:
    1,583
    Reputation:
    967
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    ১৬১। “চোররে কয় চুরি করিস, গিরস্তরে কয় হজাগ থাকিস।।”
    ব্যাখ্যাঃ- দু'মুখো সাপ।

    ১৬২। “হক মাতো আহম্মক বেজার, গরম ভাতও বিলাই বেজার।।”
    অথবা “উচিত মাতো ভাত নাই, রাস্তাবায় পথ নাই।। ”
    ব্যাখ্যাঃ- রুঢ় সত্য সব সময় তিক্তই হয়।

    ১৬৩। “বালা মাইনশে চড় খায়, গাল হাতাইয়া বাড়িত যায়।।”
    ব্যাখ্যাঃ- এই ভবে ভালো মানুষের গুরুত্ব একটু কমই।

    ১৬৪। “চুরোর মাউগর বড় গলা, আরও মাংগইন দুধ আর কলা।।”
    ব্যাখ্যাঃ- চোরের মার বড় গলা।

    ১৬৫। “বোঢ়ায়-ধুঢ়ায়(বিষহীন সাপবিশেষ) রাজ্য পাইলা, কালসর্প বিওড়ে(গর্ত) গেলা।”
    ব্যাখ্যাঃ- অযোগ্য লোকের শাসন।

    ১৬৬। “ছালি মাটি লেট-পেট দুইকান কাটা, ত্রিভুবন দেখাইলরে ঐ চিলে বেটা।
    যে না জানে ট্যাপের ভাও তার সনে গে টেপটেপাও”
    ব্যাখ্যাঃ- যে একবার ভুলে গর্তে পা দিয়েছে সে কখনো দ্বীতিয়বার ঐ পথ মাড়াবে না অর্থাৎ ন্যাড়া একবারই বেল তলা যা।

    ১৬৭। “জলদি কাম(কাজ) শয়তানী, আস্তে কাম(কাজ) রহমানী।”
    ব্যাখ্যাঃ- ধীরে-সুস্থে কাজ করা বাঞ্ছনীয়।

    ১৬৮। “চুরে চুরে আলি, এক চুরে বিয়া করলা আরেক চুরর হালি(শালি)।”
    ব্যাখ্যাঃ- চোরে চোরে মাসতুতো ভাই।

    ১৬৯। “বাপে নায় গুতে, চুঙ্গা ভরি মুতে।”
    ব্যাখ্যাঃ- আতিসাজ্য।

    ১৭০। “খাওরা আছইন কররা নাই, বুড়ি মরলে কানরা নাই।”
    ব্যাখ্যাঃ- সুসময়ের বন্ধু(দুধের মাছি)।
     
  4. abdullah
    Offline

    abdullah Welknown Member Member

    Joined:
    Jul 30, 2012
    Messages:
    6,045
    Likes Received:
    1,583
    Reputation:
    967
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    ১৭১। “জুয়ানের জুয়ানকি আর বুড়ার এক ধমকি।”
    ব্যাখ্যাঃ- অভিজ্ঞতা সব জায়গায়ই কাজে লাগে।

    ১৭২। “চেমা ইমানদার থাকি- খাড়া বেইমান বালা।”
    ব্যাখ্যাঃ- স্পষ্টভাষী শত্রু, নির্বাক মিত্র অপেক্ষা শ্রেয়।

    ১৭৩। “দুই নাওয়ে চড়ে যে, উপোইত হইয়া মরে সে।”
    ব্যাখ্যাঃ- এক সাথে দুই কাজ কখনো ঠিকভাবে হয় না।

    ১৭৪। “ঘাট পার হইলে, খেওয়ানি হালা।”
    ব্যাখ্যাঃ- উপকার করার পরে উপকারীর কথা ভুলে গেলে এই প্রবাদ বলা হয়।

    ১৭৫। “হুটকির ভাড়ারো, বিলাই চকিদার।”
    ব্যাখ্যাঃ- যে রক্ষক সেই ভক্ষক।

    ১৭৬। “যে যারে নিন্দে, হে তার পিন্দে।”
    ব্যাখ্যাঃ- অকৃতজ্ঞ।

    ১৭৭। “আধ মন তেলো হইতো নায়, আর রাঁধার নাছও হইতো নায়।”
    ব্যাখ্যাঃ- অনিচ্ছা।

    ১৭৮। “চুন চুন চুনের ঘটি, রাইত পোহাইলে উজান-ভাটি।”
    ব্যাখ্যাঃ- অস্থায়ী।

    ১৭৯। “যার হাতো(সাত) হয় না, তার হাতাইশোও(সাতাশ) হয় না।”
    ব্যাখ্যাঃ-সময়ের কাজ সময়ে করতে হয়।

    ১৮০। "মায়ের পেটে ভাত নেই, বউয়ের চন্দ্রহার"!
    ব্যাখাঃ- মা কে উপেক্ষাকারী বউ পাগল ছেলে কে তিরস্কার!
     
  5. abdullah
    Offline

    abdullah Welknown Member Member

    Joined:
    Jul 30, 2012
    Messages:
    6,045
    Likes Received:
    1,583
    Reputation:
    967
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    ১৮১। “আইজ বুঝবি না বুঝবি কাইল, বুক চাপরাইয়া পারবি গাইল”
    ব্যাখাঃ- কাউকে কোন বিষয়ে বার বার সাবধান করার পরেও না শুনলে এই প্রবাদ বলা হয়!

    ১৮২। "বৌ ভাঈলে চাড়া শ্বাশুড়ি ভাঈলে খোলা"।
    ব্যাখাঃ-পক্ষপাতিত্ব পুর্ন আচরন।

    ১৮৩। "বড় উকুন লড়ে-চরে, ছোট উকুন কামড়ায়ে মারে"।
    ব্যাখাঃ- ছোট শত্রুর আচমকা আক্রমনে বেশি ক্ষতি হলে এই প্রবাদ বলা হয়।

    ১৮৪। "আহলাদের বউ তুমি,
    কেঁদো না, কেঁদো না।
    চাল চিবিয়ে খাব আমি,
    রেঁধো না, রেঁধো না"।
    ব্যাখাঃ- বুড়ো যখন তার স্ত্রীকে অতিরিক্ত আহ্লাদ করে তখন এই প্রবাদ বলা হয়।

    ১৮৫। "বাতাসে পাতিয়া ফাঁদ, ধরে দিতে পারি চাঁদ"।
    ব্যাখাঃ-দুরূহ কার্য সম্পাদন করে দেওয়ার মিথ্যা আশ্বাসকে কটাক্ষ করে এই প্রবাদ বলা হয়।

    ১৮৬। "মারবো তো গন্ডার, লুটবো তো ভান্ডার"।
    ব্যাখাঃ- কোন কাজ করতে হলে বড় লক্ষ্য নিয়ে করা উচিত।

    ১৮৭। "কথায় টলার চেয়ে পায়ে টলা ভালো"
    ব্যাখাঃ- যেখানে থাকলে মুখের কথায় নড়চর করতে হবে, সেখানে থেকে চলে যাওয়াই শ্রেয়।

    ১৮৮। "হাট-বাজারে লজ্জা নাই, ঘাড়ে ফুলের কুড়ি"।
    ব্যাখাঃ- নির্লজ্জ মানুষ যখন লজ্জাশীলতার ভান করে তখন এই প্রবাদ বলা হয়।

    ১৮৯। "ইঁদুর র্গত খুড়েঁ মরে, সাপ এসে দখল করে"
    ব্যাখাঃ- একজন মানুষ কষ্ট করে বাড়ি তৈরি করল আর খারাপ মানুষ এসে তা দখল করে নিল।

    ১৯০। "কাজের বেলায় ভাগে, খাবার বেলায় আগে"
    ব্যাখাঃ- কিছু সুবিধাবাদি মানুষ আছে যারা কাজের সময় শত হাত দুরে থাকে আর খাবার সময় সবার আগে থাকে।
     
  6. abdullah
    Offline

    abdullah Welknown Member Member

    Joined:
    Jul 30, 2012
    Messages:
    6,045
    Likes Received:
    1,583
    Reputation:
    967
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    ২০১। "ছড়ায় যে জন পথের কাঁটা, তার যেন থাকে জুতা আটা"।
    ব্যাখাঃ- যে অন্যের ক্ষতি করে নিজেও একদিন একই ক্ষতির সম্মুক্ষীন হতে পারে- পরের অনিষ্টকারীকে সর্তক করে এই প্রবাদ বলা হয়।

    ২০২। "ভাত পায় না চা খাট, সাইকেল চালায়া বাথরুমে যায়"।
    অথবা "পাইলায় ভাত নাই, ডেউয়ায় নাচে"।
    ব্যাখাঃ- যার কাছে ১০ টাকা নাই সে যদি ১০০ টাকা খরচ করার ভাব ধরে তখন এই প্রবাদ বলে।

    ২০৩। "যত দোষ, নন্দ ঘোষ"
    ব্যাখাঃ- একজনের অপরাধের দায়, অন্যজনের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা।

    ২০৪। ‘‘মুঘল-পাঠান হদ্দ হল, ফারসি পড়েন তাতিঁ’’
    ব্যাখাঃ- পন্ডিতেরা যেখানে ব্যর্থ, মূর্খ লোক সেখানে হাস্যকর চেষ্টায় মাত।

    ২০৫। "ভেক না ধরলে ভিক মিলে না"।
    ব্যাখাঃ- পেশা ও কাজের উপযোগী বেশভূষা দরকার হয়।

    ২০৬। "ভাই ভাই ঠাঁই ঠাঁই"।
    ব্যাখাঃ- নিকট আত্নীয়দের মধ্যে নিত্য কোন্দল।

    ২০৭। "বারে বারে ঘুঘু তুমি খেয়ে যাও থান,
    এবার তোমায় ঘুঘু বধিব পরান"।
    ব্যাখাঃ- খারাপ মানুষ বদমায়েশিতে বারবার সফল হলেও শেষ পর্যন্ত তার শাস্তি হয়।

    ২০৮। "দশচক্রে ভগবান ভূত"।
    ব্যাখাঃ ভগবান নামে এক লোক রাজার আশ্রয়ে প্রশ্রয়ে বড় হচ্ছিল। রাজার কয়েকজন লোক তা সহ্য করতে না পেরে ষড়যন্ত্র করে তার মৃত্যুর কথা রটিয়ে দিল। রাজা একদিন তার গলার স্বর গুনতে পেয়ে ভগবানের মৃত্যু সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করলে ষড়যন্ত্রকারীরা রাজাকে জানিয়ে দিল যে, মৃত ভগবান ভূত হয়ে এসেছে। সকলের মুখে একই কথা শুনে রাজা বাধ্য হয়ে তাতেই বিশ্বাস করলেন।

    ২০৯। "বামুন গেল ঘর তো লাঙল তুলে ধর"।
    ব্যাখাঃ- এক ব্রাহ্মণ লোকজন দিয়ে জমি চাষাবাদ করাতেন। কাজের সময় উপস্থিত থাকলে লোকজন ঠিকমত কাজ করত। ব্রাহ্মণ বাড়িতে গেলে বা অন্য কাজে গেলেই লোকজন আরাম করার জন্যে হালকা করে লাঙল ধরত। এতে জমি আলতোভাবে চাষ হত। তদারকহীন কাজে এভাবেই ফাঁকি চলে।
     
  7. Zahir
    Offline

    Zahir Administrator Admin

    Joined:
    Jul 30, 2012
    Messages:
    19,330
    Likes Received:
    5,823
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka, Bangladesh
    Reputation:
    1,142
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    প্রচলিত প্রবাদ- প্রবচন বাংলা ভাষার অলংকার। এই প্রবাদ প্রবচনের সৃষ্টি শত শত বছরের ঐতিহ্যের অংশ। এমন একটা শেয়ার হাটে জন্য মনি মুক্তা স্বরূপ। আপনাকে ধন্যবাদ।
    :repped:

    পুনশ্চঃ স্টাফ মামাদের কাছে অনুরোধ- এই থ্রেডের কিছু ব্যাখ্যা অসম্পূর্ণ মনে হচ্ছে। আপনারা যদি পারেন,কষ্ট করে- বাংলা ভাষার স্বার্থে ব্যাখাগুলো পরিপূর্ণ করে দিবেন।
     

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 0)