1. Hi Guest
    Pls Attention! Kazirhut Accepts Only Bengali (বাংলা) & English Language On this board. If u write something with other language, you will be direct banned!

    আপনার জন্য kazirhut.com এর পক্ষ থেকে বিশেষ উপহার :

    যে কোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সন প্রয়োজন হলে Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Online Library E-Books | বাংলা ইবুক (Bengali Ebook)

Islamic প্রশ্নোত্তরে ইসলাম

Discussion in 'Role Of Islam' started by arn43, Dec 9, 2015. Replies: 51 | Views: 1796

  1. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    28,484
    Likes Received:
    4,027
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    উপরোক্ত আলোচনায় দুটো বিষয় আমাদের কাছে পরিষ্কার হলো।
    ০১. হজ্বের জন্য প্রথম শর্ত হচ্ছে সক্ষমতা।
    এই সক্ষমতা বলতে শারীরিক এবং আর্থিক দুটোর কথাই বুঝানো হয়েছে। শুধু আর্থিক সক্ষমতা থাকলেই হবে না, যদি না হজ্বকারী ব্যাক্তির শারীরিক সক্ষমতা না থাকে। তার শারীরিক অবস্থা যদি এমন হয় যে, হজ্বকালীন সময়ে শারীরিক ত্রুটি কিংবা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যার কারনে হজ্বের নিয়ম পদ্ধতি পালন করা তার পক্ষে সম্ভব না হয় তবে তার জন্য নিজে সশরীরে হজ্ব পালন করা আবশ্যক নয়।
    আবার যদি শারীরিক পূর্ণ সক্ষমতা থাকা সত্বেও আর্থিক সঙ্গতি না থাকে, অর্থাত নিজের এই পরিমাণ অর্থ না থাকে যেটুকু হজ্বের জন্য প্রয়োজন তবে সেক্ষেত্রেও তার জন্য হজ্ব আবশ্যক নয়। সেক্ষেত্রে হজ্ব করার জন্য নিজের কাছে যদি সিংহভাগ অর্থ থাকে আর কিছু অর্হের জন্য হজ্ব করার উপায় না হয় তবে বেশীরভাগ অর্থের সাথে অন্যের কিছু অর্থ মিলিয়েও হজ্ব করা উচিৎ হবে না, যদি না অন্যের দেয়া অর্থের মালিকানা হজ্বকারী ব্যক্তির নামে করে দেয়া হয়।
    এখানে সরকারী খরচে হজ্বের বৈধতা নিয়ে যে আলোচনা হয়েছে তাতে শুধুমাত্র তখনই হজ্বকারীর হজ্ব সঠিক হবে যখন সরকার প্রদত্ত অর্থ হজ্বকারীকে নিঃশর্তভাবে দিয়ে দেয়া হবে। অর্থাৎ সে অর্থে হজ্বকারী পূর্ণ মালিকানা আরোপিত হবে...
    ০২. হজ্বের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সব থেকে ভালো সমাধান হচ্ছে হজ্বের যাবতীয় ব্যয়ভার নিজের হালাল উপায়ে অর্জিত অর্থের মাধ্যমে সমাধা করা। হজ্বের যাবতীয় ব্যয়ভার যদি নিজের উপার্জিত অর্থের মাধ্যমে নির্বাহ করা যায় সেটির কোনো বিকল্প নেই। তবে খেয়াল রাখতে হবে সেক্ষেত্রে যেনো কোনো মতেই সে অর্থের সাথে হারাম উপায়ে অর্জিত কোনো অর্থ মিশে না যায়।
     
  2. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    28,484
    Likes Received:
    4,027
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    QA-020

    প্রশ্ন : পিতা-মাতাকে তুই বা তুমি বলে ডাকা যাবে কি?

    উত্তর: হীনকর কোন শব্দে পিতা-মাতাকে ডাকা যাবে না। উক্ত শব্দ দু’টি সাধারণত: অসম্মানজনক সম্বোধনে ব্যবহার করা হয়। অতএব এ থেকে বিরত থাকাই উত্তম। তবে ঐসব সম্বোধনে যদি পিতা-মাতা খুশী হন, তবে বলা যাবে। আল্লাহ তা‘আলা পিতা-মাতার সাথে সুন্দর কথা ও উত্তম আচরণ করতে বলেছেন (লোকমান ১৫; বণী ইসরাঈল ২৩)।
     
  3. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    28,484
    Likes Received:
    4,027
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    অনেক এলাকায় পিতা-মাতাকে বিশেষ করে মাকে " তুই " বলে সম্বোধন করতে দেখা যায়। সেটা এলাকার একটা রেওয়াজ বলেই আমরা ধরে নেই। আবার এরকমও দেখা যায় যে পুরো এলাকার লোকেরা পিতা-মাতাকে আপনি বা তুমি বলে সম্বোধন করে থাকলেও কোনো পরিবারের রেওয়জ মাকে তুই বলে সম্বোধন করা। সেটাও ঐ পরিবারের জন্য ঠিক আছে, যেহেতু রেওয়াজের কারনে ঐ পরিবারের লোকেরা ছোটবেলা থেকেই এভাবে সম্বোধন করে অভ্যস্ত, তাই এটা দোষনীয় নয়। কিন্তু এমন যদি হয়, কেউ সব সময় পিতা-মাতাকে আপনি কিংবা তুমি বলে সম্বোধন করে আসছে কিন্তু কোনো এক ঘটনার প্রেক্ষিতে হঠাত করেই কিংবা মাঝে মধ্যেই তুই সম্বোধনটি চলে আসছে, তবে সেটা অবশ্যই দোষনীয় হবে। বিশেষ করে যদি পিতা-মাতা এতে মনোক্ষুন্ন হন, তবে তো বটেই। এক্ষেত্রে আমাদের মনে রাখতে হবে, এই দুনিয়ায় আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলের পর সব থেকে পূজনীয় ব্যাক্তি হচ্ছেন পিতা-মাতা। তাঁরা যেনো সন্তানদের কোনো কথা বা আচরণে কখনো কস্ট না পান। আর একজন পিতা বা মাতা সন্তানদের মুখ থেকে শ্রদ্ধা ভালোবাসা মিশ্রিত " মা " বা " বাবা " ডাক শুনতে চান। তাদের কাছ থেকে উত্তম সম্বোধন প্রত্যাশা করেন। হয়তো সামাজিকতা কিংবা অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অনেক সময় সে কথাটি তাঁরা মুখ ফোটে বলেন না। তথাপিও একজন ভালো সন্তান হিসাবে কখনো পিতা-মাতাকে এমন সম্বোধন করা উচিৎ হবে না, যেটা তারা আশা করেন না কিংবা মনে মনে হলেও কষ্ট পান বা অসূখী হন...
     
  4. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    28,484
    Likes Received:
    4,027
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    QA-021

    প্রশ্ন : রেডিও-টিভিতে সম্প্রচারিত ফরয ছালাতের ইমামের অনুসরণে বাড়ীতে ছালাত আদায় করা বৈধ হবে কি?


    উত্তর: বৈধ হবে না। ইমামের পিছনে ছালাত আদায় করা জায়েয হওয়ার শর্ত হচ্ছে স্থান এক হতে হবে, কাতারগুলোকে মিলিতভাবে হ’তে হবে এবং ইমাম সম্মুখে থাকবেন (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/১১৩৬-৩৮)।
     
  5. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    28,484
    Likes Received:
    4,027
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    উল্লেখিত বিষয়টি নিয়ে প্রধানত তিনটি খটকা আছে। স্থান, কাতার আর ইমাম সামনে হওয়া। এখন এমন যদি হয় স্থান একই আছে কিন্তু মাঝে একটা রাস্তা কিংবা সরু খাল বা নালা আছে তবে কি হবে ? কাতারের ক্ষেত্রেও যদি এমন হয় কাতারের মাঝে পিলার কিংবা দেয়াল আছে তবে কি হবে ? আর ইমামের বেলায় ইমাম সামনে আছে কিনা সেটা যখন পরিস্কার না, যেমন দোতলা কিংবা ইমামের উপরে যারা অবস্থান করছে তারা নিশ্চিত না যে ইমাম সামনে আছে নাকি সমানে সমান আছে না পিছনে আছে ? সেক্ষেত্রেই বা কি বিধান ?
    প্রশ্নে যদিও এই বিষয়গুলো ছিলো না, তথাপিও কারো কারো মনে এই ধরনের খটকা লাগতেই পারে। প্রশ্নে উল্লেখ না থাকার প্রেক্ষিতে স্বাভাবিক কারনেই উত্তরে তা বলা হয়নি।
    এই প্রশ্নগুলোর উত্তর উল্লেখিত হাদিসের আলোকে আমাদের বুঝে নিতে হবে।
    * স্থানের ক্ষেত্রে কখনো দুই কাতারের মাঝে বড় কোনো ফাঁক বা গ্যাপ রাখা চলবে না। যদি গ্যাপ বড় হবার কারনে মনে হয় এটা মূল অংশের সাথে বিচ্ছিন্ন কোনো জামাত, তবে সেটা বর্জনীয়... এটা কাতারের মিলের ব্যাপারে তাগিদের একটা বিষয় ধরে নিতে হবে। সেক্ষেত্রে দুই কাতারের মাঝে রাস্তা কিংবা নালা থাকলে তো অবশ্যই সেটা জামাতের অংশ হতে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।
    * কাতারের ব্যাপারে অন্য হাদিসে এসেছে জামাতে নামায আদায়ের সময় মুসল্লিগন যেনো একে অপরের পায়ের সাথে পা আর কাঁধের সাথে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়ায়। হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী এক মুসল্লির পা অন্য মুসল্লির পায়ের সাথে এমনভাবে লাগিয়ে দাঁড়াতে হবে যেমন ইমারত তৈরীর সময় একটা ইট আরেকটা ইটের সাথে লাগানো হয়ে থাকে। কাতারের মাঝে ফাঁক না রাখার ব্যাপারে সাবধানবাণী উচ্চারন করতে যেয়ে নবী (সাঃ) বলেছেন, কাতারবন্দি মুসল্লীদের মাঝে যদি কোন ফাঁক থেকে যায় তবে সে ফাঁকে শয়তান দাঁড়ায় আর মুসল্লির মনে ওয়াসওয়াসা দিতে থাকে... অতএব, কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রেও আমাদের দুইজনের মাঝে কোন ফাঁক রাখা উচিৎ হবে না। সেক্ষেত্রে মাঝে যদি কোনো পিলার বা দেয়াল থাকে তবে কাতারে দাঁড়ানর সময়ই বিষয়টা মনে রাখতে হবে যেনো পিলার বা দেয়াল কাতারের কোনো বিঘ্নতা সৃস্টি করতে না পারে।
    * ইমামের সামনে থাকা নিশ্চিতের ব্যাপারেও একই কথা বলা যেতে পারে। যারা দোতলা কিংবা উপরে নামায আদায় করে থাকেন, তাদের উচিৎ হবে সামনের দিক থেকে একটা কাতার ছেড়ে দিয়ে কাতার শুরু করা। কেননা অনেক সময় ইমাম সাহেব তাঁর নির্দ্ধারিত স্থানের কিছুটা পিছনে ইমামতের জন্য দাঁড়িয়ে যান। সেক্ষেত্রে হাদিসের শর্তানুযায়ী উপরের মুসল্লীদের নামায শুদ্ধ হবে না। কারন জামাতের শর্ত হচ্ছে মুসল্লীগন সব সময় ইমামের পিছনে অবস্থান করবে আগে নয় !!
     
  6. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    28,484
    Likes Received:
    4,027
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    QA-022

    প্রশ্ন : ফজরের ছালাতের সময়ের এক ঘণ্টা আগে ভুলবশত: আযান দিয়ে জামা‘আত সহ ছালাত আদায় করে ভুল বুঝা যায়। ঐ ছালাত কি পুনরায় পড়তে হবে?


    উত্তর: ঐ ছালাত পুনরায় আদায় করতে হবে। কারণ উক্ত ছালাত ওয়াক্তের অনেক পূর্বেই আদায় করা হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা নির্দিষ্ট সময়ে ছালাত আদায় করতে বলেছেন (নিসা ১০৩)। রাসূল (সাঃ)ও নির্দিষ্ট সময়ে ছালাত আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন (মুসলিম হা/২৩৯)।
     
  7. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    28,484
    Likes Received:
    4,027
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    উপরোল্লেখিত বিষয়টি আমাদের সমাজে আগে প্রায়ই ঘটতো। বিশেষ করে গ্রামের মসজিদ গুলোতে কিংবা বাড়িতে যারা জামাতে নাময পড়ায় অভ্যস্ত তাদের ক্ষেত্রেই বেশী ঘটতো। গ্রামের অনেকের বাড়িতেই ঘড়ি না থাকার দরুন আযান দিলেই মুসল্লীরা মসজিদ পানে ছুটে যেতো। কিন্তু মুয়াজ্জিন আসলে ভুলক্রমে ওয়াক্ত হবার আগেই আযান দিয়ে ফেলেছিলো। সেই আযানকে কেন্দ্র করে ফজরের জামাতও করে ফেলতো অনেক সময়। কিংবা বাড়ির মুরব্বী ঘুম থেকে উঠার পর ফজরের ওয়াক্ত হয়ে গেছে ভেবে অন্যান্যদের ডেকে তুলে ফজরের নামাজ জামাতে আদায় করে নিতো। পরবর্তীতে দেখা যেতো যে ফজরের নামায ওয়াক্ত শুরু হবার বেশ আগেই আদায় করা হয়ে গেছে। এহেন অবস্থায় সঠিক মাসয়ালা না জানার প্রেক্ষিতে অনেকেই ভেবে নিতো, নামায যেহেতু আদায় করে ফেলেছি সেহেতু সেই নামাজ আর দ্বিতীয়বার আদায় করা লাগবে না। কোনো কোনো সময় এমনও হতো, নামাজান্তে মুসল্লীরা আবার শুয়ে পড়ার ফলে আসল ওয়াক্ত শুরু হলেও তখন উঠে আবার নামাজ আদায় করা সম্ভবপর হতো না। উপরের প্রশ্ন-উত্তর থেকে এটা আমরা পরিষ্কারভাবে জানতে পারলাম যে, এরকম অবস্থায় আমাদের কি করনীয়। যেহেতু ওয়াক্ত উপস্থিত না হলে কোনো ঐ ওয়াক্তের নামাজ আদায় করা হলেও সেটি ঐ ওয়াক্তের নামাজ বলে গণ্য হবে না, তাই মায়ালা হলো নামাজটি পূনঃরায় আদায় করে নিতে হবে। সেক্ষেত্রে পূর্বে আদায় করা নামাজটি নফল নামাজ হিসাবে গণ্য হবে।
     
  8. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    28,484
    Likes Received:
    4,027
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    QA-023

    প্রশ্ন : জনৈক আলেম বলেন, কেউ যখন রোগীর নিকট যাবে তখন সে তার কাছে দো‘আ চাইবে। কারণ তার দো‘আ ফেরেশতাগণের দো‘আর ন্যায়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?

    উত্তর: উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (সিলসিলা যঈফাহ হা/১০০৪; ইবনু মাজাহ, মিশকাত হা/১৫৮৮)।
     
  9. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    28,484
    Likes Received:
    4,027
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    আমাদের সমাজে অনেকেরই এমন ধারনা আছে যে কোনো মূমর্ষ রোগীর কাছে যদি দোয়া চাওয়া হয় আর ঐ রুগী যদি তার জন্য দোয়া করে তবে সেটা আল্লাহর দরবারে কবুল হয়ে যাবে। কেননা মূমর্ষ রুগী ফেরেস্তা সমতূল্য। ফেরেস্তাদের যেমন সব দোয়া আল্লাহ রাব্বুল আলামিন কবুল করে নেন, ঠিক একইভাবে সেই রোগীর দোয়াও কবুল করে নিবেন। কোনো কোনো তথাকথিত আলেমও এই কথার স্বপক্ষে মত দিয়ে থাকেন। কিংবা ঐ আলেমদের কেউ কেউ এটা হাদিস সম্মত বলেও রায় দিয়ে দেন। যার আসলে কোনো ভিত্তি নেই। খুব স্বাভাবিক কারনেই এই কথাটা সাব্যস্ত হবার পক্ষে শরীয়তের কোন ভিত্তি এমনকি ইঙ্গিতও কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। আর এটা তো খুব সাধারন জ্ঞানের একটা বিষয় যে, একজন মূমর্ষ রোগী যেখানে নিজের জন্য দোয়া করার ফুরসৎই পাচ্ছেন না, সেখানে অন্যের জন্য কিভাবে দোয়া করতে পারেন !!
    তবে হ্যাঁ, রোগীর যদি বাহ্যিক জ্ঞান ঠিক থাকে, তবে স্বাভাবিক অবস্থায় আমরা যেমন একে অপরের কাছে দোয়া প্রার্থনা করি সেভাবে তার কাছেও চাইতে পারি। সেক্ষেত্রে এই যাঞ্চাটা একজন মুসলমান অপর মুসলমানের কাছে দোয়া প্রার্থনারই শামিল হবে। এতে বাড়তি কোনো মর্যাদা বা বিশেষত্ব থাকবে না। মনে রাখতে হবে ইসলাম ধর্মকে আমাদের জন্য খুব সহজ করে দেয়া হয়েছে। এর প্রতিটি বিধান যাতে আমরা সঠিকভাবে পালন করতে পারি সে জন্যই এতো সহজ করে দেয়া হয়েছে। আমরা নিজেরা (কোনো কোনো ক্ষেত্রে কিছু কিছু আলেম) বিভিন্ন মতবাদকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে এই সহজ পদ্ধতিগুলো কঠিন করে তুলি...
     
  10. arn43
    Offline

    arn43 Kazirhut Elite Member Staff Member Global Moderator

    Joined:
    Aug 18, 2013
    Messages:
    28,484
    Likes Received:
    4,027
    Gender:
    Male
    Reputation:
    951
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    QA-024

    প্রশ্ন : বদ নযর থেকে বাঁচার জন্য সন্তানের কপালে কাল টিপ দেওয়া যাবে কি? এটা সন্তানের কোন উপকার করতে পারে কি?

    উত্তর: বদ নযর থেকে রক্ষার জন্য উক্ত টিপ দিলে সেটা শিরকের অন্তর্ভুক্ত হবে। আল্লাহর উপর ভরসা করতে হবে। বদ নযর লাগলে কুরআন-সুন্নাহ অনুযায়ী ঝাড়-ফুঁক দিতে হবে (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৪৫২৬, ৪৫২৮)।
     

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 0)