1. Hi Guest
    Pls Attention! Kazirhut Accepts Only Benglali (বাংলা) & English Language On this board. If u write something with other language, you will be direct banned!

    আপনার জন্য kazirhut.com এর বিশেষ উপহার :

    যেকোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সনের জন্য Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Online Library E-Books | বাংলা ইবুক (Bengali Ebook)

এক গাছে পাবেন পাঁচ মশলার ঘ্রাণ

Discussion in 'Agriculture' started by sorol manush, Oct 9, 2018. Replies: 2 | Views: 62

  1. sorol manush
    Offline

    sorol manush সরল মানুষ Member

    Joined:
    Oct 10, 2012
    Messages:
    2,265
    Likes Received:
    435
    Reputation:
    538
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    গাছের নাম অলস্পাইস। বাংলা নাম নেই। গাছে কোনো ফুল নেই, ফল নেই। কেবল পাতা আর পাতা।

    [​IMG]
    অলস্পাইস গাছ। বগুড়ায় মসলা গবেষণা কেন্দ্রে।
    বগুড়া মসলা গবেষণা কেন্দ্রের একটি বাগানে বেশ কয়েকটি অলস্পাইস গাছ রয়েছে। বর্ষার জল খেয়ে গাছগুলো একেবারে তরতাজা; উজ্জ্বল চকচকে সবুজ রং নিয়ে পাতাগুলো ঊর্ধ্বমুখী হয়ে আকাশের সঙ্গে যেন মিতালি পাতাতে চায়। হাওয়ায় দুলছে গাছের ঝাঁকড়া ডালপালা। গাছগুলোর উচ্চতা প্রায় চার মানুষ সমান হবে। পাতাগুলো দেখতে অনেকটা লবঙ্গগাছের মতো, তবে লবঙ্গগাছের পাতার চেয়ে এর পাতা কিছুটা ডিম্বাকার বা উপবৃত্তাকার, চওড়াও বেশি।

    অলস্পাইস ও লবঙ্গগাছ—দুটো পাশাপাশি থাকলে দর্শক বিভ্রান্ত হবে। পার্থক্যটা হচ্ছে অলস্পাইসের পাতা কিছুটা পুরু, চকচকে ও সুঘ্রাণযুক্ত। চিরসবুজ এ গাছের বাকল ও ডালপালা দেখতে অনেকটা পেয়ারা ও লবঙ্গগাছের মতো, বাকল মসৃণ ও ধূসর বাদামি। কচি ডালের রং সবুজ ও নরম।

    অলস্পাইসগাছের পাতায় আছে পাঁচ রকমের মসলার ঘ্রাণ। জায়ফল, জয়ত্রী, লবঙ্গ, দারুচিনি ও গোলমরিচ—সব ঘ্রাণ একসঙ্গে! এ কারণেই হয়তো এর নাম রাখা হয়েছে অলস্পাইস।

    এর পাতা ছায়ায় শুকিয়ে গুঁড়ো করে রাখা হয়। সেই গুঁড়ো রান্নায় ব্যবহার করা হয়। বিদেশে একে বলা হয় কারি পাউডার। বাঙালির রান্নাকে সুস্বাদু করতে এ পাতা ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। এর ইংরেজি নাম পিমেন্টা বা জ্যামাইকান পিমেন্টা। একে মির্টেল পেপার নামেও ডাকা হয়।

    জগতের সব মসলার ঘ্রাণ এতে নেই। তবু নাম অলস্পাইস কেন? ১৬২১ সালে ইংরেজরা এ গাছে দারুচিনি, লবঙ্গ ও জায়ফলের ঘ্রাণ পেয়েছিলেন বলে এর নাম দিয়েছিলেন অলস্পাইস। আজ সারা বিশ্বে এ গাছের সে নামটাই পরিচিত।

    অলস্পাইসের উদ্ভিদতাত্ত্বিক নাম pimenta dioica। পরিবার মির্টেসি। গাছ মাঝারি আকারের। দ‌ক্ষিণ মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকা এর আদিনিবাস। এখন বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। বেশ কয়েক বছর আগে বগুড়ায় মসলা গবেষণা কেন্দ্রে এ গাছের একটি মাতৃবাগান গড়ে তোলা হয়। গবেষণাও চলছে এ গাছ নিয়ে। কল্যাণপুর হর্টিকালচার সেন্টার, চাঁপাইনবাবগঞ্জেও অলস্পাইসগাছ রয়েছে।

    অলস্পাইসগাছে ফুল ফোটা শুরু হয় মে থেকে, ফল পাওয়া যায় আগস্ট পর্যন্ত। থোকা ধরে প্রচুর ফল হয়। ফল বুটের দানার মতো গোলাকার; কাঁচা ফলের রং সবুজ, পাকলে কালো হয়। সাধারণত এর কাঁচা ফল সংগ্রহ করা হয়। কাঁচা ফল রোদে শুকিয়ে বাদামি করা হয়। কাঁচা পাতা রোদে শুকিয়ে তেজপাতার মতো ব্যবহার করা যায়।

    বাড়ির বাগানে কয়েকটা অলস্পাইসগাছ থাকলে সারা বছর বাড়ির বাতাসে একরকমের সুঘ্রাণ উপভোগ করা যেতে পারে। এ গাছ বাঁচে প্রায় ১০০ বছর। বীজ ও শাখা কলম করে এর চারা তৈরি করা যায়।
     
    • Informative Informative x 1
  2. বুশরা
    Offline

    বুশরা Senior Member Member

    Joined:
    Mar 13, 2013
    Messages:
    1,632
    Likes Received:
    342
    Gender:
    Female
    Location:
    Mirpur-1,Dhaka
    Reputation:
    409
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    নতুন কিছু জানলাম। ধন্যবাদ। আমাদের ছাদ বাগানে এই গাছটি লাগাতে হবে।
     
  3. মরুভূমির জলদস্যু
    Offline

    মরুভূমির জলদস্যু Writer Staff Member Moderator

    Joined:
    Dec 22, 2012
    Messages:
    7,982
    Likes Received:
    4,012
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka
    Reputation:
    885
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    বার তিনেক এই গাছের দেখা পেয়েছি।
    পাতার ঘ্রাণেরও সুবাস মিলেছে নাকে।
     

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 0)