1. Hi Guest
    Pls Attention! Kazirhut Accepts Only Benglali (বাংলা) & English Language On this board. If u write something with other language, you will be direct banned!

    আপনার জন্য kazirhut.com এর বিশেষ উপহার :

    যেকোন সফটওয়্যারের ফুল ভার্সনের জন্য Software Request Center এ রিকোয়েস্ট করুন।

    Discover Your Ebook From Our Online Library E-Books | বাংলা ইবুক (Bengali Ebook)

Fishery জ্বালানী চারের প্রস্তুত প্রনালী

Discussion in 'Agriculture' started by Zahir, Jun 14, 2018. Replies: 0 | Views: 96

  1. Zahir
    Offline

    Zahir Administrator Admin

    Joined:
    Jul 30, 2012
    Messages:
    19,739
    Likes Received:
    6,112
    Gender:
    Male
    Location:
    Dhaka, Bangladesh
    Reputation:
    1,142
    Country:
    Bangladesh Bangladesh
    'জ্বালানী চার' অত্যন্ত গুরূত্বপূর্ণ ও কার্যকরী একটি চার। যে সমস্ত পুকুরে কোন চারেই কাংখিত ফল আসে না অর্থাৎ মাছ চারে আসে না বা মাছ টোপ খায় না- সেখানে জ্বালানীর প্রয়োগ হয়ে থাকে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় বিশেষ করে চট্রগ্রামের এংলাররা এই চার বেশী ব্যবহার করে থাকে বিশেষ করে প্রাইজের খেলাতে। দেখা গেছে ভেলুয়ার দিঘী, চট্রগ্রাম ওখানে প্রাইজের খেলাতে প্রায় সব চট্টলাবাসী এংলারগন জ্বালানী ব্যবহার করে থাকে। জ্বালানী চার হচ্ছে মুলত হাই পাওয়ার এন্টিবায়েটিক এর মত। যে সমস্ত পুকুর বা দিঘীতে প্রতিনিয়ত খেলা হয় সেখানে চার পরতে পরতে পয়েন্টগুলো এক প্রকার নষ্টই হয়ে যায়, সেখানে একই প্রকৃতির চারে মাছ অভ্যস্ত হয়ে যায়, যার কারনে মাছও কম ভিড়ে। তখন নতুন কিছু করায় প্রয়োজনীয়তা হিসেবে জ্বালানীর প্রয়োগ হয়ে থাকে। তবে এর সুবিধা অসুবিধা দুটোই আছে। যেখানে জ্বালানী চার করার প্রয়োজন নেই, সেখানকার মাছ এতে অভ্যস্তও নয় -সেখানে জ্বালানী চার প্রয়োগে রেজাল্ট উল্টোও হতে পারে।
    অনেকেই বলে থাকেন পচা চার করলে জ্বালানী কাজ করে না। এ বিষয়টি নিয়ে আমি কয়েকজন অভিজ্ঞ এংলারের সাথে মতবিনিময় করেছি।ওনারা জানিয়েছেন কথাটার কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এমন অনেক হয়েছে ২ পাশেই পচা ছিল মাঝখানে জ্বালানী চার করা হয়েছে ফলাফল ভাল ছিল।

    জ্বালানী চার মূলত একটি সেনসিটিভ চার। এটি সবার জন্য উপযোগী নয়। যারা এখনো মিষ্টি চারই বানানোর অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন নাই, এই রেসিপি তাদের জন্য নয়। নতুনরা আরও অভিজ্ঞতা অর্জনের পর এটি ব্যবহার করবেন। আর অভিজ্ঞরাই এটি কিভাবে, কোন জায়গায় ব্যবহার করবেন, তার প্রয়োগ বুঝবেন।

    জ্বালানী চার: প্রয়োজনীয় উপাদান ও পরিমান:-

    ১) পানি ৫ লিটার
    ২) মহুয়া পেষ্ট ৫০ গ্রাম
    ৩) চিটাগুড় ২০০ গ্রাম
    ৪) বিন্নি আতপ চাল ৫০ গ্রাম
    ৫) সুগন্ধী আতপ চাল ২০০ গ্রাম
    ৬) ঘী ১৫০ গ্রাম
    ৭) ঘী এর ছাকা ৭৫০ গ্রাম
    ৮) ভাদিয়ানী গুড়া ১৫ গ্রাম
    ৯) জায়ফল গুড়া ১০ গ্রাম
    ১০) জৈত্রিক ১০ গ্রাম
    ১১) ছোট এলাচ ১০ টি
    ১২) চিড়া ৫০০ গ্রাম
    ১৩) কন্ডেন্সড মিল্ক ২০০ গ্রাম
    ১৪)লটকন দানা গুড়া ১০ গ্রাম
    ১৫) সাগুদানা ১৫০ গ্রাম

    প্রস্তুত প্রনালী:
    একটি বড় পাতিলে ৫ লিটার পানিতে চিটাগুড় ও মহুয়া পেষ্ট করে চুলায় মাঝারী আচে বসিয়ে দিন। জ্বাল দিয়ে মাঝারি গরম হলে বিন্নি চাল ও ৫ টেবিল চামচ ঘী দিয়ে নাড়ুন। ১০ মিনিট পর বাকী সুগন্ধী আতপ চাল দিয়ে নাড়ুন। চাল ফুটে আসলে এবার ঘীয়ের ছাকা দিয়ে নাড়তে থাকুন। ১০ মিনিট পর পাতিলে ৭৫ গ্রাম পরিমান সাগুদানা দিয়ে নাড়তে থাকুন। বাকী ৭৫ গ্রাম সাগুদানা পাতিল চুলায় বসানোর আগে মোট ১ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখুন। পাতিলের সাগুদানা গলে আসলে ১ ঘন্টা যাবত ভিজিয়ে রাখা বাকি সাগুদানাগুলো ভাল করে পানিতে গুলিয়ে পাতিলে দিয়ে দিন।

    এরপর চিড়া, ভাদিয়ানী গুড়া, জৈত্রিক, এলাচ, লটকন দানা গুড়া ভাল করে মিশিয়ে পাতিলে দিয়ে নাড়তে হবে। এগুলো আগে থেকে মিশিয়ে রাখলে রান্না করা অবস্থায় সময় কম লাগবে। পাতিলে দিয়ে মিশানোর পর ৩০ মিনিট নাড়তে হবে। নামানোর ১০ মিনিট আগে ঘী আর কন্ডেন্স মিল্ক দিয়ে দিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে কোন ভাবেই যেন মিশ্রণটি পাতিলের তলায় লেগে না যায়।

    বিশেষ সতর্কতা:-
    ---------------------
    যদি পোড়া যায় বা পাতিলের তলায় লেগে যায় তবে এই চারের কার্যকারিতা নষ্ট হবে। সমস্ত কষ্ট বিফলে যাবে।

    তৈরীর পর গরম গরম ব্যবহার করতে পারলে সবচেয়ে ভাল ফলাফল আশা করা যায়।

    রেসিপি: মাহমুদ হাসান
     

Pls Share This Page:

Users Viewing Thread (Users: 0, Guests: 0)